কতোপকোথন-১

চোখে চোখ রেখে বলেই ফেললাম, "ভালোবাসি"। 
তুমি বললে, "ভালোবাসা! এতটাও সহজ নাকি?" 
আমি বললাম, "সহজ কিনা জানিনা, কঠিনটাও বা কতটুকু জানা নেই। 
আজকাল শুধু তোমাকেই জানতে ব্যাকুল হৃদয়। 
তুমি জিজ্ঞেস করলে, কতটুকুন তোমায় জানলাম!
আমি বললাম, সাত সাতটা জন্মে তোমায় আপন করতে যতখানি জানা দরকার ততটুকুন জেনে নিলাম।

গর্জন

মিছিলে মিছিলে ঢেকে গেছে রাজপথ, 
স্লোগানে স্লোগানে ভাঁড়ি হচ্ছে বাতাস। 
প্রতিবাদের গর্জন কাঁপিয়ে দিচ্ছে বুক, 
আলো আসবেই, যত ইচ্ছে আঁধার নামুক।

অভিশপ্ত প্রেমিক


ভাগ্যের কি আর দোষ,
আমি অভিশপ্ত প্রেমিক-
বিশ্বাসী হতে এসে বারবার হয়েছি অপদস্থ
ক্ষুধার্ত কুকুরের মত তবু ঘুরেফিরে ফের আসি,

এই বার যদি ভাগ্য বদলায়!
নির্লজ্জতার বিনিময়ে হয়ে উঠি যদি বিশ্বাসী!!!!!

যদি অসম্ভব ভালোবাসা ত্যাগে
মিলে এক চিমটি ভালোবাসা!
তবে আমিও বলবো একদিন আমাকে-
ভালোবেসেছিলে তুমিও আমায়,
সত্য বা মিথ্যে, একদিন বা অনন্তদিন কি বা যায় আসে তাতে!

দূরের তুমি

দূরের তুমি, দূরেই থেকে যেতে!
কেন এলে, কাছে এতটা-
দূরেই যদি গেলে?
দূরেই যাবে যদি, 
কেন এতটা কেড়ে নিলে হৃদয়?
কেন এতটা প্রেমিক বানালে!
আমি তো বেশ ছিলাম,
দিব্যি ভাল যাচ্ছিলো সময়।
তবে ঠিক কোন কারণে,
কোন প্রতিশোধের আগুনে
জ্বালিয়ে মারছো আমায়?

তুমি যে ভালোবাসা চাও!

তুমি যে ভালোবাসা চাও!
কখনো ভেবে দেখেছো, দিতে কতটুকু পারো!
কতটুকু ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা হয়?
তুমি যে ভালোবাসা চাও! 
ভালোবাসা কতটুকু পোড়ায় জানো! বুঝো?
কতটুকু ক্ষতবিক্ষত করে ফেলে ভিতরটা!
হৃদয়টাকে করে ফেলে কতটা ভঙ্গুর!
তুমি যে ভালোবাসা চাও!
ভালোবাসা যে বড় লোভী, অত্যাচারী, স্বৈরাচারী-
আত্মাটাকে মেরে ফেলে দেহটাকে ছেড়ে দেয় জীবন্ত লাশ বানিয়ে।
তুমি যে ভালোবাসা চাও!
ঠিক কেন চাও! বলতে পারো?
-রুদ্রাক্ষ অহম